মঙ্গলবার, ৩১ আগস্ট, ২০২১

৬ষ্ঠ থেকে ৯ম শ্রেণির ১৪ সাপ্তাহের অ্যাসাইনমেন্ট প্রকাশ

দেশে মাধ্যমিক ও উচ্চ মাধ্যমিক শিক্ষা অধিদপ্তর ২০২১ সালের ৬ষ্ঠ থেকে ৯ম শ্রেণির ১৪ তম সাপ্তাহের অ্যাসাইনমেন্ট গত ৩১ আগস্ট  প্রকাশ করে। কোভিড -১৯ অতি মহামারি পরিস্থিতির কারনে দীর্ঘ দিন  শিক্ষা প্রতিষ্ঠান বন্ধ থাকার দারুন শিক্ষার্থীদের পড়াশোনার কার্যক্রম চালিয়ে নেবার লক্ষ্যে সরকারের শিক্ষা মন্ত্রণালয় অ্যাসাইনমেন্টের মাধ্যামে  সিলেবাস সম্পন্ন করার সিদ্ধান্ত গ্রহণ করে।

 

তারই  নির্দেশনুসারে জাতীয় শিক্ষাক্রম ও পাঠ্যপুস্তক বাের্ড কর্তৃক ২০২১ সালের পাঠ্যসূচির আলােকে প্রণীত  ১৪ তম সাপ্তাহের অ্যাসাইনমেন্টসমূহ প্রকাশ করা হয়।  




শিক্ষা প্রতিষ্ঠানসমূহকে অ্যাসাসাইনমেন্ট প্রদান ও গ্রহণের ক্ষেত্রে কোভিড -১৯  সংক্রমণ রােধে

সরকার ঘােষিত স্বাস্থ্যবিধি সংক্রান্ত বিধিনিষেধ যথাযথ  ভাবে অনুসরণপূর্বক প্রয়ােজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য অনুরােধ করা হয়।


অ্যাসাইনমেন্ট ডাউনলোড করতে Click here


অদৃশ্য ভাবনার জগৎ।

 ভাবনা জগত খুবই অদ্ভুত। ভাবতে গেলে অনেক কিছুই আসে। যেমন

👉আমরা যে পড়াগুলো মনে রাখি তা একটু ভেবে দেখি:    আমরা কোনো বিষয়ে পড়লাম তখন সেটা- "কথা" যাকে ধরা যায়না, দেখা যায়না, গন্ধ পাওয়া যায়না। শুধু কন্ঠ দিয়ে উচ্চারিত হয় আর কান দিয়ে শুনা যায়। 

👉যখন রূপ দিলাম তখন সেটা- "লেখা"।তখন তা শুনা যায়না, তাতে কন্ঠের কোনো আওয়াজ থাকেনা, গন্ধও পাওয়া যায়না। কিন্তু কথার রূপ যখন দেখা যায় তখন তা ধরাও যায়। 

👉যখন সেটা কাগজ থেকে মগজে ঢুকে তখন তা দেখা যায়না, ধরা যায়না, শুনা যায়না, বলার প্রয়োজন হয়না, গন্ধও পাওয়া যায়না।





আশ্চর্য ভাবনাঃ  কেউ কোনো কথা বলল সেটা আরেকজনে লিখে ফেলল অথচ যার কথা তার কাছ থেকে চলে যায়নি তার মুখেই রয়ে গেলো। কিন্তু ওদিকে খাতাতেও কপি হয়ে গেলো। আবার যে লিখলো তার কাছ থেকে অন্যজন সেটা পড়ে মনে গেঁথে নিলো কিন্তু তাই বলে লেখাটা উধাও হয়ে যায়নি যার লেখা তার খাতায় রয়ে গেলো কিন্তু এদিকে মনেও কপি হয়ে গেলো‼️



অদৃশ্য জগৎকে কেউ অবিশ্বাস করে চলতে পারবেনা, আর না পারবে অস্বিকার করতে। 

১♥ আল্লাহর পক্ষ থেকে কোরআন নাযিল হয়েছে কথার মাধ্যমে। যা অদৃশ্য, কথাকে দেখা যায়না এটা কোন কালার, কথাকে ধরা যায়না এটা শক্ত না নরম, কথার কোনো গন্ধ নেই এটা সুগন্ধ না দুর্গন্ধ। শুধু শুনা যায় এবং বলা যায়।


২♥ যার কারনে মানুষ জীবিত থাকে- রূহ। এটাও অদৃশ্য।


৩♥ জীবের পঞ্চ ইন্দ্রিয়ের মধ্যে একটি- নাক। নাক দিয়ে যে বাতাস ঢুকে সেটা অদৃশ্য। 


৪♥ জীবের পঞ্চ ইন্দ্রিয়ের মধ্যে একটি- কান। কান দিয়ে যা শুনি কথা, আওয়াজ সেটা অদৃশ্য।


৫♥ মানুষের মন অদৃশ্য। মনের যে দয়া, মায়া, আবেগ, ভালোবাসা, ভালোলাগা,    সব অদৃশ্য। 


৬♥ মানুষের স্মৃতি অদৃশ্য।


৭♥ বিবেক অদৃশ্য। 


৮♥ সাওয়াব বা পূণ্য অদৃশ্য।


৯♥ গুনাহ বা পাপ অদৃশ্য।

 

১০♥ আদব কায়দা অদৃশ্য। 


"বিশ্বাস" নাকি "অন্ধবিশ্বাস"❓

 ✍️ " বিশ্বাস" নাকি "অন্ধবিশ্বাস"❓

      একটি সত্য উপলব্ধির প্রয়াস।।

••••••••••••••••••••••••••••••••••••••••


✍•••••কেউ নিজেকে হেদায়তকারী বলে দাবি করলে কি তার অন্ধভক্ত হয়ে যাওয়া উচিত? 

যদি কারোর কাছ থেকে ভুল ফতোয়া নিয়ে আমি দুনিয়াতে ভুল অামল করে যাই, কিয়ামতের মাঠে আমি অাল্লাহকে কি জবাব দেব? ঐ ব্যক্তি কি আমাকে সেদিন নাজাত দিতে পারবে?

দোষটা কি শুধু ঐ ব্যক্তির হবে নাকি দুইজনেরই হবে?




  

ঐ ব্যক্তি ভুল ফতোয়া দিয়ে মানুষকে বিভ্রান্ত করার জন্য শাস্তি সে পাবে কিন্তু তার চেয়ে বড় শাস্তি অামাকে ভোগ করতে হবে।

অাল্লাহ যদি অামাকে প্রশ্ন করেন যে, অামি কেন অামার বিবেককে কাজে লাগাইনি তখন অামি কি উত্তর দেব? কে কার বিবেককে কতটুকু কাজে লাগিয়েছে এই প্রশ্নের উত্তর সবাইকে কাল কেয়ামতের মাঠে দিতে হবে। 

কোরআনে যাদেরকে নিষ্পাপ বলা হয়েছে যাদেরকে অনুসরণ করতে বলা হয়েছে তাদের কাছে যেতে অামাদের এতো ফতোয়ার দরকার পড়ে আর যাদের ভিতরে ফিতনা অার বাড়াবড়ির সীমা নেই তাদেরকে নিয়ে আমাদের কত নাচানাচি। বিবেকের মধ্যে কি পোকা ধরেছে?

👉কোরঅানে অাল্লাহ স্পষ্ট করে বলছেন যে,,,,,,, "অামি মানুষকে বিবেকবুদ্ধি দিয়ে পৃথিবীতে প্রেরন করেছি, অতএব সে যা করবে তার কর্মফল সে পাবে"।


✍•••••••"উনি অনেক বড় অাল্লামা, ওনার কথা অস্বীকার করবো কিভাবে? উনি কত বড় পরহেজগার অালেমে দ্বীন, প্রখ্যাত অালেম উনি কি করে ভুল বলতে পারেন?"......... এটা অামাদের কথা, অার কোরঅানের কথা হলো.......  যত বড় অালেমই হোকনা কেন অার যত বড় পরহেজগারই হোক না কেন অাল্লাহর অাদেশ অমান্য করলে অাল্লাহর লানৎপ্রাপ্তদের অন্তর্ভুক্ত হয়ে যেতে পারে।


ইবিলিশের ঘটনাটা মনে করলে অামরা বুঝতে পারি যে, তার ইবাদতের পরিমাণ এত বেশি ছিলো যে, সে ফেরেশতাদের সরদার হয়ে গিয়েছিলো। তায় বলে কি বলা যায়, শয়তান অনেক বড় পরহেজগার, তার কথা কিভাবে অমান্য করব? সে যাই বলে তায় ঠিক ধরে নেব? এখানে, দুটি বিষয় অাল্লাহ পরিষ্কার করে দিয়েছেন। (একটা হলো) বেশি বেশি ইবাদতের মাধ্যমে ফেরেশতাদেরও ঊর্ধে যেতে পারলেও কিন্তু (অপরটি হলো-) বেশি ইবাদতের দোহাই দিয়ে অাল্লাহর অাদেশ অমান্য করা যাবেনা করলে তাকে অাল্লাহ নিম্ন থেকে নিম্নতর স্থানে পাঠিয়ে দেবেন। 


✍••••••••কোরঅান বলছে হেদায়তকারীগন অাল্লাহর মনোনীত এবং পুত পবিত্র। তাহলে হেদায়তকারীর ভাষা কি অশ্লিল হতে পারে? অামাদের বিবেক কি বলে? 

★একজন ব্যাক্তি যদি যেই পাত্রে খায় সেই পাত্রটাকেই অাবার বৎনার মতো ব্যবহার করে তবে তাকে কি বুদ্ধিমান বলা যায়?

★কোনো বাজে লোক অামাকে বিশ্রী ভাষায় গালি দিলে, বিচার দেওয়ার সময়, তার গালির ভাষাটাই যদি অামি পুনরায় হুবহু ব্যবহার করি, তাহলে এটা কি অামার ভদ্রতার পরিচয় বহন করে?

★বিশ্রী কোনো গান না শুনার জন্য কাউকে নিষেধ করতে গিয়ে, ঐ বিশ্রী গানটি যখন অামি নিজেই গেয়ে শুনায় তখন বিষয়টা কি ভালো দেখায়?

★কেউ যদি উলঙ্গ নাচলে সেটা নিষেধ করতে চাইলে, তখনকি উলঙ্গ হয়ে নেচে দেখিয়ে দিয়ে বলতে হবে যে, এরকম করে নাচিওনা? 

★★কোনো নেতৃত্ব স্থানীয় যোগ্য ব্যক্তির থেকে কি এসব অাশা করা যায়?

উপরের সবগুলো প্রশ্নের উত্তর- "না" কিন্তু বাস্তবে হচ্ছে তার উল্টো,- "ধর্মের নামে অধর্ম"


✍•••••••মানুষকে হেদায়ত করার জন্য অাল্লাহ যুগে যুগে অাসমানি কিতাব ও হেদায়তকরী (তথা সংবাদদদতা, বার্তাবাহক, অাল্লাহর দূত) পাঠিয়েছেন। অাদম (অা) থেকে শুরু করে যত নবী- রাসুল ও অাওলিয়া কেরামগন কিংবা ইসলামের বড় বড় বুজুরগানে দ্বীন দুনিয়ার বুকে অাগমন করেছেন তাদের মধ্যে কি এমন কোনো দৃষ্টান্ত অাছে যে, মানুষকে সতর্ক করার জন্য বা শিক্ষা দেওয়ার জন্য ওয়াজের মধ্যে অশ্লিল ভাষা বব্যহার করেছেন কিংবা ভালো খারাপের পার্থক্য বুঝানোর জন্য বিশেষ ধরনের অশ্লিল অঙ্গভঙ্গির দ্বারা অভিনয় করে দেখিয়েছেন? 

কেউ কেউ হয়ত বলবে সমাজের ময়লা পরিষ্কার করতে গেলে ময়লাতো একটু লাগবেই। বর্তমান যুগে ছেলে মেয়েদের যা অবস্থা এভাবে ওয়াজ না করলে হয়না। তাদের বলি, পরিস্থিতির দোহাই দিয়ে অশ্লিল ভাষা ব্যবহার করার দলিল কোরঅানে কোন অায়াতে অাছে❓ পূর্বেও কাফেররা সংখ্যায় বেশি ছিলো এবং তারা সরাসরি অাল্লাহর বিরোধিতা করত। তাদেরকে অাল্লাহর পথে অানাটা অনেক বেশ কঠিন ছিলো। তারপরও অাল্লাহর প্রেরিত হেদায়তকরীগন তাদের যুবানে অশ্লিল ভাষা ব্যবহার করেননি।  

যুগে যুগে অাল্লাহর মনোনীত হেদায়তকারীগন ইসলাম প্রচার করতে গিয়ে তাদেরকে কত অত্যাচার সহ্য করতে হয়েছে। অাল্লাহর কি কোরঅানে অামাদের বলে দেননি সেসব ঘটনা?

অামাদেরকি মনে পড়ে না কিভাবে ইব্রাহিম (অা) কে খোদার দ্বীন প্রচার করার কারনে বিশাল অগ্নিকুন্ডে নিক্ষেপ করা হয়েছিলো?

কিভাবে রাসুলে পাক (স) কে সত্য দ্বীনের দাওয়াত দেওয়ার কারনে পাগল ডেকে হেয় করা হয়েছিল অার কিভাবে পাথরের অাঘাতে জর্জরিত করা হয়েছিলো?

এতকিছুর পরও তারা সত্য প্রচার করা থেকে বিরত হননি, অাল্লাহর উপর ভরসা করে সব সহ্য করে গেছেন। কারন- 

👉কোরঅানে অাল্লাহ বলেছেন,,,,,,,,, 

"ইন্নাল্লাহা ইয়ুহিব্বুস্ সাবিরিন".....অর্থ- নিশ্চয় অাল্লাহ সাবিরিনদের অর্থাৎ ধৈর্য্য ধারণকারীদের ভালোবাসেন। 

👉অন্য অায়াতে অাল্লাহ বলেন,,,,,,, 

"ইন্নল্লাহা মায়াস্ সাবিরিন" অর্থ- "নিশ্চয় অাল্লাহ ধৈর্য্য ধারনকরীদের সাথে অাছেন"। 

তাঁরা মূলত অাল্লাহর সন্তুষ্টি ছাড়া অার কিছুই চাইতেন না। তায় এত এত কষ্ট সহ্য করেছেন। কারন অাল্লাহর সন্তুষ্টির কাছে এগুলো কিছুই না।

যেমনিভাবে একই কলবে অাল্লাহ এবং শয়তান একসাথে থাকেনা তেমনিভাবে মস্তিষ্কের মধ্যেও কোরঅানের সৌন্দর্য কিংবা শয়তানি দুইটা থেকে যে কোনো একটা থাকতে পারে কিন্তু কোরঅানের সৌন্দর্য অার শয়তানি দুইটা একসাথে একটি মস্তিষ্কে থাকতে পারেনা। যেই মুখ দিয়ে কোরঅানের বাণী প্রচার করা হয় সেই মুখ দিয়ে অশ্লিল কথা বের হতেই পারেনা। যারা কেরঅানের বাণীর দ্বারা মানুষকে সত্য পথে অাহ্বান করে, যারা প্রকৃত হেদায়তকারী তাদের যুবানে তাঁরা সব সময় মধুর ভাষায় কথা বলেন।


✍•••••••হযরত অাহমদ উল্লাহ মাইজভান্ডারি বলেছেন, "কবুতরের মতো বাছিয়া খাও"- একথা শুনে খাদকরা মনে করবে তিনি শুধু খাবারের কথা বলেছেন, কিন্তু না একথা তিনি শুধু খাবারের ক্ষেত্রে বলেননি, বলেছেন সকল কিছুর ক্ষেত্রে যা কিছু অামরা গ্রহণ করি, অাহরণ করি, ধারন করি। যেমন অামরা খাবার গ্রহণ করি পেটে অার জ্ঞান অাহরণ করি মগজে, তবে যা কিছুই গ্রহণ করি না কেন তা যেন হালাল হয় এবং সঠিক হয়। 


যদি কারোর কাছে এক ডেক বাসি বিরিয়ান থাকে কি হবে তা  দিয়ে? সেগুলো কি কেউকে খাওয়ানো যাবে? কিন্তু যদি এক প্লেট ফ্রেশ খাবার থাকে তা একজনকে হলেও খাওয়ানো যাবে। সুতরাং, বাসি বিরিয়ানির ডেকের মতো কিতাব পড়ে পড়ে কিতাবি হয়ে কি লাভ? বিবেকে যতটুকু পারা যায় যাচাই বাছাই করে সঠিক জ্ঞান অর্জন করলে, শেষ বিচারের দিন তা নাজাতের উসিলা হবে। মনে রাখা উচিত, এটা ফিতনার যুগ, অাখেরি জামানা। মানুষের ঈমান নিয়ে খেলার মতো চারিদিকে শয়তানের দোষরের অভাব নেই।

👉রাসুলে করিম (স) বলেছেন, "অাখেরি জামানায় মানুষের ঈমান রক্ষা করা হাতের তালুতে  জলন্ত কয়লা রাখার মতো কষ্টকর হবে"।  তায় কাউকে পছন্দ করি বলে একেবারে অন্ধের মতো বিশ্বাস বা ভরসা করা উচিত নয় যে, তিনি যাই বলবে তাই ঠিক ধরে নিয়ে পালন করতে থাকবো। 


✍•••••••অার কেউ যদি বলে অমুক কিতাবে এই হাদিস অাছে, কিন্তু সত্যি যদি এরকম কোনো হাদিস ঐ কিতাবে না থাকে তাহলে কি হবে? অামাদের কি এসব যাচাই বাছাই করে দেখা উচিৎ নয়? ভন্ডদের থেকে অাল্লাহ অামাদেরকে হেফাযত করুক। (অামিন)।

অামরা সবাই জানি,  হযরত অাদম (অা) ও হাওয়া (অা) বেহশতে গন্দম ফল খেয়েছিলে, তাই তাঁদেরকে জান্নাত থেকে পৃথিবীতে পাঠিয়ে দেওয়া হয়েছিলো। এখন যদি বলা হয় তাঁরা গন্দম ফল খেয়েছিলেন বলে, গন্দম ফল খাওয়া অাদম (অা) এর সুন্নত, এবার কেমন হবে বিষয়টা? অথবা যদি বলা হয়, অাম, কাঁঠালের মতো যাক্কুমও একটা ফল, অার অাল্লাহ তো ফল খেতে নিষধ করেননি এই যুক্তি দিলে কি যাক্কুম ফল খেতে ইচ্ছা পোষণ করতে হবে?


সত্যি মানুষের যুক্তির কোনো শেষ নেই!!

★যারা অাল্লাহ তথা ঈশ্বরে বিশ্বাস করেনা তাদের অবিশ্বাসের পিছনে তাদের কাছে অনেক যুক্তি অাছে।

★যারা ইসলাম ধর্ম বা অন্য ধর্মে বিশ্বাস করে, যার যার ধর্মের বিশ্বাসের পিছনে তাদের কাছে অনেক যুক্তি অাছে।

★অাবার ইসলাম ধর্মের মধ্যেও বিভিন্ন দল যেমন- শিয়া, ওহাবি, সুন্নি......... ইত্যাদি দলের অনুসারি হওয়ার পিছনে প্রত্যেক দলের কাছে অনেক যুক্তি অাছে।

এইযে এতো যুক্তি অাছে- কি হবে এসব যুক্তি দিয়ে? যুক্তি যুক্তি খেলার মাঝখানে সারা জীবনের হায়াত তো এখানেই শেষ হয়ে যাচ্ছে। প্রত্যেকে যার যার যুক্তিতে সদা অটল, প্রত্যেকে নিজেকে ঠিক মনে করে। এভাবে হলে যারা ভুল তারা চিরকালই ভুল থেকে যাবে। অামাদের উচিত সবসময় যেন অামাদের শিখার ইচ্ছা থাকে। তাহলে অামার কোনো ভুল থাকলে সেটা যাচাই করে নিতে পারবো এবং অার যদি মনে হয় এটা ভুল তাহলে আমার জানা সত্যটা আমি আরো দৃঢ়ভাবে যাচাই করে নিতে পারবো।


একজন বিবেকবান ব্যক্তি বক্তার প্রতি মনোযোগ দেয়না বক্তার বক্তব্যের প্রতি মনোযোগী হয়। অামাদের উচিত কে বলেছে সেটা নিয়ে বিবাদে লিপ্ত না হয়ে কি বলেছে সেটা যাচাই করে ছেকে নিয়ে সঠিকটা গ্রহন করা। 

★কোনো ব্যক্তি যদি ১০০টি কথা বলে তার মধ্যে  ৯৯টি সঠিক এবং ১টা ভুল থাকলে তবে ঐ ১টি ভুল বাদ দিয়ে বাকি ৯৯টি গ্রহন করুন কিন্তু ৯৯টি সঠিক হওয়ার দোহাই দিয়ে ঐ ১টি ভুলকে গ্রহন করবেননা, কারন ঐ একটি ভুলের কারনে অাপনার ঈমানও চলে যেতে পারে। 

★অার যদি কোনো ব্যক্তির ১০০টি কথার মধ্যে ৯৯টি ভুল এবং ১টি সঠিক থাকে তবে ৯৯টি ভুল বাদ দিয়ে ১টি সঠিক গ্রহণ করুন কিন্তু ৯৯টি ভুলের দোহাই দিয়ে ঐ একটি সঠিককে এরিয়ে যাবেননা হয়তো ১০০টি কথার মধ্যে ঐ ১টি সঠিক কথাটা অাপনার জীবন বদলে দিতে পারে। 

★★সুতরাং অামাদের উচিৎ ভালো কিছু গ্রহণ করা এবং খারাপ কিছু বর্জন করা।


অামদের বিশ্বাসটা কোরঅান কেন্দ্রিক হওয়া উচিত ব্যক্তিকেন্দ্রিক নয়। যদি একান্ত কারোর অন্ধ ভক্ত না হয়ে এভাবে ভালো- খারাপ বিবেচনা করে গ্রহন করা যায় তাহলে মানুষে মানুষে তর্ক, বারাবারি, দলাদলে বিভক্তি ও বিভ্রান্তি সৃষ্টি হবেনা।  পবিত্র কোরঅানে একতার প্রতি অাহ্বান করা হয়েছে বিভক্তির প্রতি নয়। 

অতএব চলুন, 

"কে বলেছে সেটা না দেখে কি বলেছে সেটা দেখি,

সূক্ষ্মভাবে যাচাই করে ভালো কিছু অর্জন করি, খারাপ কিছু বর্জন করি"

writer : Mrs sha alam, 


নারী ও পর্দা।। শিক্ষনীয় পোস্ট।


পর্দা নারীর পরিচয়। কোরআনে বারবার বলা হয়েছে পর্দার ব্যাপারে। আল্লাহর কাছে একজন নারীর পরিচয় তার পর্দায়। পর্দার বিধান প্রনয়ণ করা হয়েছে নারীর জন্য। পবিত্র কোরআনে যেমনিভাবে রাসূলে পাক (স.)-এর আদর্শকে অনুসরণ ও অনুকরণ করতে বলা হয়েছে ঠিক তেমনি মহিলাদের পর্দার ক্ষেত্রে মা ফাতেমাকে অনুসরণ করতে বলা হয়েছে। কিয়ামতের ময়দানে একজন নারী বিচার দিনের মালিক মহান অাল্লাহর সামনে নিজেকে প্রেজেন্টেশন করতে হবে পর্দার মাধ্যমে। অামরা কি সেভাবে প্রস্তুতি নিচ্ছি? অাল্লাহর ভয় অন্তরে আছেতো? 





পর্দার কারনেই একজন নারী অমূল্য। কেউ অাল্লাহর ভয়ে পর্দা করে আবার কেউ ছদ্মবেশে পর্দা করে। 

যারা আল্লাহর  ভয়ে পর্দা করে তারা হলো পর্দানশীন  আর যারা ছদ্মবেশে পর্দা করে তারা হলো শয়তানের গুপ্তচর, তাদের একমাত্র উদ্দেশ্য হলো পর্দার ছদ্মবেশ ধরে বাজে কাজ করার মাধ্যমে পর্দার গায়ে কলঙ্ক লাগানো। যাতে পর্দানশীন নারীরা পর্দা নামক পবিত্র বিষয়টি থেকে বেরিয়ে নিজেদরকে ওপেন করে অপবিত্র হয়ে যায়। 


ছদ্মবেশী পর্দানশীলরা শয়তানের আরেক গুপ্তচরের দল। অামাদের চারপাশের পরিবেশে এই গুপ্তচরদের 99% চড়িয়ে ছিটিয়ে রয়েছে। পর্দানশীল নারীদের ভুলভাল বুঝিয়ে বেপর্দা করার জন্য তারা সর্বদা তৎপর। এটাই তাদের একমাত্র উদ্দেশ্যে।  তারা বলবে..... "যারা পর্দা করে তাদের পর্দার পিছনে রয়েছে  যত সব খারাপ কাজ"।


তাই বলে কি আপনি পর্দা ছেড়ে দিবেন??

তা-ই যদি হয় তাহলে আপনিও শয়তানের গুপ্তচরের একজন হয়ে গেলেন। 

আপনিযে পর্দার আড়ালে খারাপ কাজ করেন না সেটা প্রমান করতে যদি আপনি পর্দা ছেড়ে দেন তাহলেতো পরোক্ষভাবে নিজের অজান্তেই শয়তানি কূটকৌশলকে সফল করতে আপনি আরেক ধাপ এগিয়ে নিয়ে গেলেন। আর সেই সাথে আল্লাহর কাছে বেপর্দার পরিচয় দিলেন। 

কোনো ব্যক্তি যে ধরনের মানুষকে পছন্দ করে, শ্রদ্ধা করে বা প্রত্যাশা করে শয়তান ঐ ব্যাক্তির নিকট তার প্রত্যাশিত মানুষের ছদ্মবেশে হাজির হয়।


ঠিক তেমনি শয়তান পর্দানশীন নারীদের ধোকা দেওয়ার জন্য পর্দারই আশ্রয় নেয়। অামরা যেন এসব ছদ্মবেশীর পাল্লায় পড়ে ঈমানহারা না হই। নবী  করিম (স.) শেষ জামানার প্রতি ইঙ্গিত করে বলেছেন ঈমান রক্ষা করা হাতের তালুতে জলন্ত কয়লা রাখার মতো কষ্টকর হয়ে যাবে। এটাই সেই যুগ।


হয়তো শয়তান এমন যুক্তি দিবে যা আপনি খন্ডন করতে পারবেননা। তার মানে এই নয় যে শয়তানের যুক্তিটাই সঠিক। বরং এটা ভাবুন যে শয়তানের যুক্তিটা খন্ডন করার মতো যথেষ্ট জ্ঞান আপনার নেই। তাই শয়তানের যুক্তির সঠিক জবাব দিতে জ্ঞানের পরিধি বাড়ান। শয়তান ধোকা থেকে বাঁচতে হলে প্রয়োজন "ইলমে দ্বীন" তথা ধর্মের জ্ঞান। 


এজন্যই দোলনা থেকে কবর পর্যন্ত জ্ঞান অর্জন করা ফরয করা হয়েছে। অতএব বেশী বেশী জ্ঞান অর্জন করুন এবং সে অনুযায়ী আমল করুন । তাহলে বুঝতে পারবেন পর্দা একজন নারী  হিসেবে অপনার জন্য কতটুকু জরুরি। 


"একজন নারীর আসল পরিচয়- পর্দা। 

একজন নারী খুবই........... মূল্যবান

পর্দার কারনে আপনি হয়ে উঠতে পারেন.........অমূল্য

আর শয়তানের ধোকায় 

বেপর্দা হলে আপনি হয়ে যাবেন........মূল্যহীন"


তাহলে ভাবে দেখুন -

আপনিযে পর্দার আড়ালে বাজে কাজ করেননা তা প্রমাণ করতে গিয়ে,  কিছু মানুষের কাছে সাধু হওয়ার জন্য পর্দা ত্যাগ করেন তাহলে আপনি মূল্যবান থেকে অমূল্য হবেন নাকি একেবারে মূল্যহীন হয়ে যাবন??


অতএব যারতার কথায় পর্দা বর্জন করবেননা। করলে আপনি কোরআন সুন্নার বিরুদ্ধ চলে যাবেন। কিয়ামতের ময়দানে মা ফাতেমার ছায়াতলে স্থান পাবেননা।

মনে রাখবেন এটা আখেরি জামানা। শয়তান আপনাকে এমনভাবে ধোকা দিবে যে, আপনি বুঝতেও পারবেননা যদি সঠিক জ্ঞান আপনার না থাকে।


মনে করেন...

আপনি কোথাও কোনো ভালো কাজে অংশগ্রহণ করতে যাচ্ছেন। হঠাৎ শয়তান আপনার পথে বাঁধা হয়ে দাঁড়িয়েছে। তখন, একটি গাছ আপনার ডানাপাশে আছে, যেটা দিয়ে আপনি আপনার গন্তব্য চিহ্নিত করেছেন। শয়তান আপনাকে আপনার পছন্দনীয় কথার জালে ফাঁসিয়ে আপনাকে ঘুরিয়ে দাঁড় করিয়ে দিলো। কথা শেষ করার পর আপনি গাছটিকে আপনার বামপাশে দেখতে পাচ্ছেন। এইযে গাছটি আপনার ডানপাশে ছিলো এবং কেউ আপনাকে ঘুরে দাঁড় করিয়ে দিয়েছে.... সেটা বুঝে ওঠার আগেই শয়তান এমনভাবে ব্রেনওয়াশ করে দিবে  এটা বলে যে, "গাছকি কখনো স্থান পরিবর্তন করতে পারে??....তোমার ভুল হচ্ছে সবকিছু ঠিক আছে"। 

তখন আপনি ভাববেন আসলেইতো গাছটি আমার বামপাশেই ছিলো এবং আছে।


যদি আপনার বিবেকবুদ্ধি কাজে লাগাতে জানেন তাহলে, আপনার মনে ভাবোদয় হবে যে..." গাছ স্থান পরিবর্তন করতে পারেনা তা ঠিক কিন্তু আমিতো পারি। শয়তান আমাকে ঘুরে দাঁড় করিয়ে দিয়েছে এবং আমার দিক পরিবর্তন করে দিয়েছে"। ফলে আপনি আবার ঘুরে দাঁড়াতে পারবেন এবং সঠিক গন্তব্যে পৌঁছাতে পারবেন।


আপনি পর্দার আড়ালে বাজে কাজ করেননা সেটা প্রমাণ না করলে কিছু যায় আসেনা কিন্তু প্রমাণ করতে গিয়ে বেপর্দা হয়ে গেলে অনেক কিছুই আসে যায়। সবচেয়ে বড় কথাতো হলো এটাই যে আপনার দুনিয়া-অাখেরাত দুটোই শেষ হয়ে যাবে। আপনি কখনই তা চাননা নিশ্চয়।


আল্লাহর পথে চলতে গেলে শয়তানের ফাঁদে পা দেওয়া যাবেনা। শয়তানের যুক্তিগুলো হলো এক একটা পিছুটান। আল্লাহর পথে চলতে চাইলে পিছুটান এড়িয়ে চলতে শিখুন, শয়তানের ধোকায় পথভ্রষ্ট হওয়া থেকে ঘুরে দাঁড়াতে শিখুন। আর তার জন্য বেশী বশী ইলমে দ্বীন অর্জন করুন। 

অবশেষে সারকথা এটাই যে,...."পর্দা ছাড়া একজন ঈমানদার নারীর কোনো অস্তিত্বই নেই".......


পবিত্র কোরআনে অাল্লাহ্ বলেছেন- "হে মানব জাতি তোমরা আল্লাহকে ভয় কর। তাঁর আদেশ মেনে চল অন্যথায় তোমরা হবে সীমা লঙ্ঘনকারী" 

অন্যত্র বলা হয়েছে "তোমরা সীমা লঙ্ঘন করিওনা"

অতএব আমাদের উচিত পর্দা করে চলা, কারন এটা আল্লাহর আদেশ। পবিত্র কোরআনে ইরশাদ হয়েছে- "তারা যেন তাদের চাদর দ্বারা বক্ষদেশ ঢেকে রাখে"

অন্য আয়াতে বলা হয়েছে- "তারা যেন পর্দা দ্বারা  তাদের মুখমন্ডল চবৃত করে রাখে".....


চলুন আমরা পর্দা করি ও ফিতনা থেকে দূরে থাকি যাতে "সীমা লঙ্ঘনকারীদের অন্তর্ভূক্ত না হয়।


শুধু নারীরদেরকে নয় পুরুষদেরকেও তাদের স্ত্রীদেরকে পর্দার ব্যাপারে উৎসাহিত করতে বলা হয়েছে। অতএব অাপনার স্ত্রী পর্দা করতে না চাইলে তাকে পর্দা করতে বাধ্য করুন, পর্দার বিধান সম্পর্কে অবগত করুন এবং বেপর্দায় চলার ভয়াবহ পরিণতি সম্পর্কে সাবধান করুন.....যদি আপনার স্ত্রীকে আপনি ভালোবাসেন এবং ভয়াবহ জাহান্নামের আগুন থেকে বাঁচাতে চান।


আর যদি আপনার স্ত্রী পর্দনশীল হয়ে থাকে তাহলে তাকে বপর্দা হওয়া থেকে বাঁচান এবং পর্দার ব্যাপারে অারো উৎসাহিত করুন।


মহিলাদের ক্ষেত্রে  বলব আপনার স্বামী যদি আপনাকে বেপর্দা চলতে বলে তাহলে আপনার স্বামীকে পর্দার বিষয়ে অবগত করুন.....যদি আপনার স্বামীকে ভালোবাসেন এবং জাহান্নামের আগুন থেকে বাঁচাতে চান। কারন আপনি বেপর্দায় চললে আপনার স্বামীও ভয়াবহ শাস্তি থেকে রক্ষা পাবে না।   

লেখাঃ মিসেস শাহ আলম।  কনটেন্ট রাইটার, Study For Today Blog site। 

                  

এইমাত্র পাওয়া খবর। ২০২১ সালের এইসএসসি পরীক্ষার্থীদের ৬ষ্ঠ সাপ্তাহের অ্যাসাইনমেন্ট প্রকাশ।

      

      

 

মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা অধিদপ্তর ২০২১ সালের এইচ.এস.সি পরীক্ষার্থীদের জন্য  ৬ষ্ঠ সাপ্তাহের অ্যাসাইনমেন্ট প্রদানের জন্য অদ্য ৩১ আগস্ট বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করে। বিজ্ঞপ্তিটিতে বলা হয়েছে যে, কোভিড -১৯ অতিমারি পরিস্থিতির কারণে শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের নির্দেশনা অনুসারে জাতীয় শিক্ষাক্রম ও পাঠ্যপুস্তক বাের্ড কর্তৃক ২০২১ সালের এইসএসসি পরীক্ষার্থীদের পুনর্বিন্যাসকৃত পাঠ্যসূচির আলােকে প্রণীত  ৬ষ্ঠ  সাপ্তাহের অ্যাসাইনমেন্টসমূহ প্রেরণ করা হলো।

 


২০২১ সালের এইসএসসি পরীক্ষার্থীদের জন্য অ্যাসাইনমেন্টসমূহ প্রদান ও গ্রহণের ক্ষেত্রে কোভিড -১৯ এর সংক্রমণ রােধে সরকার ঘােষিত স্বাস্থ্যবিধি সংক্রান্ত বিধিনিষেধ যথাযথ অনুসরণপূর্বক প্রয়ােজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য অনুরােধ করা হয়। 


অ্যাসাইনমেন্ট ডাউনলোড করতে ক্লিক করুন 


বৃহস্পতিবার, ২৬ আগস্ট, ২০২১

ব্রকিং নিউজ।আবারও বাড়ল শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের ছুটি

 করোনা ভাইরাস সংক্রমণ বৃদ্ধিজনিত কারণে  দেশে মাধ্যমিক ও উচ্চমাধ্যমিক পর্যায়ের সব শিক্ষা প্রতিষ্ঠান এবং ইবতেদায়ি ও কওমি মাদ্রাসায় ছুটির মেয়াদ আরেক দফা বাড়ানো হয়েছে।



শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের চলমান ছুটির মেয়াদ ছিল ৩১ আগস্ট পর্যন্ত।এখন ছুটির মেয়াদ আাবারও বাড়িয়ে ১১ সেপ্টেম্বর পর্যন্ত  বৃদ্ধি করা হয়েছে।

বৃহস্পতিবার শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের এক বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে, কোভিড-১৯ সংক্রান্ত জাতীয় পরামর্শক কমিটির সঙ্গে পরামর্শক্রমে দেশের মাধ্যমিক ও উচ্চ মাধ্যমিক পর্যায়ের সব শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান এবং ইবতেদায়ি ও কওমি মাদ্রাসার চলমান ছুটি আগামী ১১ সেপ্টেম্বর পর্যন্ত বাড়ানো হয়েছে।

কারণ হিসেবে বলা করা হয়েছে, সারাদেশে করোনা পরিস্থিতি আরো অবনতি হওয়ায়  শিক্ষার্থী, শিক্ষক, কর্মচারী ও অভিভাবকদের স্বাস্থ্য সুরক্ষা ও সার্বিক নিরাপত্তার বিবেচনায় এ সিদ্ধান্ত নেয়া হয়েছে।

#BreakingNews #EducationNews #hscexam2021 #SSCExam2021 #newday
#UpdateNews #viral #viralnews

বুধবার, ২৫ আগস্ট, ২০২১

৬ষ্ঠ,৭ম,৮ম ও ৯ম শ্রেণির ১৩ তম সপ্তাহের অ্যাসাইনমেন্ট প্রকাশিত

মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা অধিদপ্তর ২০২১ সালের  ৬ষ্ঠ থেকে ৯ম শ্রেণির একাদশ সাপ্তাহের অ্যাসাইনমেন্ট গত ২৫ আগস্ট  প্রকাশ করে।কোভিড -১৯ অতি মহামারি পরিস্থিতির বৃদ্ধি তথা সরকারের ঘোষণা অনুযায়ী লকডাউনের কারনে দীর্ঘ দিন স্থগিত থাকার পর শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের নির্দেশনুসারে জাতীয় শিক্ষাক্রম ও পাঠ্যপুস্তক বাের্ড কর্তৃক ২০২১ সালের পাঠ্যসূচির আলােকে প্রণীত ১৩ তম সাপ্তাহের অ্যাসাইনমেন্টসমূহ প্রকাশ করা হয়।  





প্রতিষ্ঠানসমূহকে অ্যাসাসাইনমেন্ট প্রদান ও গ্রহণের ক্ষেত্রে কোভিড -১৯  সংক্রমণ রােধে সরকার ঘােষিত স্বাস্থ্যবিধি সংক্রান্ত বিধিনিষেধ যথাযথ  ভাবে অনুসরণপূর্বক প্রয়ােজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য অনুরােধ করা হয়।


ডাউনলোড লিংক


বৃহস্পতিবার, ১২ আগস্ট, ২০২১

মাধ্যামিক স্তরে একাদশ সাপ্তাহের অ্যাসাইনমেন্ট প্রকাশ

মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা অধিদপ্তর ২০২১ সালের  ৬ষ্ঠ থেকে ৯ম শ্রেণির একাদশ সাপ্তাহের অ্যাসাইনমেন্ট অদ্য ১২ আগস্ট  প্রকাশ করে।কোভিড -এটমা অতি মহামারি পরিস্থিতির বৃদ্ধি তথা সরকারের ঘোষণা অনুযায়ী লকডাউনের কারনে দীর্ঘ দিন স্থগিত থাকার পর শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের নির্দেশনুসারে জাতীয় শিক্ষাক্রম ও পাঠ্যপুস্তক বাের্ড কর্তৃক ২০২১ সালের পাঠ্যসূচির আলােকে প্রণীত  ১১ তম সাপ্তাহের অ্যাসাইনমেন্টসমূহ প্রকাশ করা হয়।  


শিক্ষা প্রতিষ্ঠানসমূহকে অ্যাসাসাইনমেন্ট প্রদান ও গ্রহণের ক্ষেত্রে কোভিড -১৯ সংক্রমণ রােধে


সরকার ঘােষিত স্বাস্থ্যবিধি সংক্রান্ত বিধিনিষেধ যথাযথ  ভাবে অনুসরণপূর্বক প্রয়ােজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য অনুরােধ করা হয়।


অ্যাসাইনমেন্ট ডাউনলোড লিংক CIick here


সোমবার, ৯ আগস্ট, ২০২১

এসএসসি পরীক্ষা-২০২১' র চতুর্থ সাপ্তাহে অ্যাসাইনমেন্ট প্রকাশ এবং ডাউনলোড সহ


 

 মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা অধিদপ্তর ২০২১ সালের এস.এস.সি পরীক্ষার্থীদের জন্য  ৪র্থ সপ্তাহের অ্যাসাইনমেন্ট প্রদানের জন্য  ৯ আগস্ট বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করে।

বিজ্ঞপ্তিটিতে বলা হয়েছে  যে, কোভিড -১৯ অতিমারি পরিস্থিতির কারণে শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের নির্দেশনা অনুসারে জাতীয় শিক্ষাক্রম ও পাঠ্যপুস্তক বাের্ড কর্তৃক ২০২১ সালের এসএসসি পরীক্ষার্থীদের জন্য পুনর্বিন্যাসকৃত পাঠ্যসূচির আলােকে প্রণীত ৪র্থ সপ্তাহের অ্যাসাইনমেন্টসমূহ প্রেরণ করা হলো।

২০২১ সালের এসএসসি পরীক্ষার্থীদের জন্য অ্যাসাইনমেন্টসমূহ প্রদান ও গ্রহণের ক্ষেত্রে কোভিড -১৯ এর সংক্রমণ রােধে সরকার ঘােষিত স্বাস্থ্যবিধি সংক্রান্ত বিধিনিষেধ যথাযথ অনুসরণপূর্বক প্রয়ােজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য অনুরােধ করা হয়। 


অ্যাসাইনমেন্ট ডাউনলোড লিংক 

এইসএসসি পরীক্ষা-২০২১' র তৃতীয় সাপ্তাহের অ্যাসাইনমেন্ট প্রকাশ।অ্যাসাইমেন্ট ডাউনলোড সহ

 

 মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা অধিদপ্তর ২০২১ সালের এইচ.এস.সি পরীক্ষার্থীদের জন্য ৩ য় সপ্তাহের অ্যাসাইনমেন্ট প্রদানের জন্য অদ্য ৯ আগস্ট এক বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করে।

এতে বলা হয়েছে  যে, কোভিড -১৯ অতিমারি পরিস্থিতির কারণে শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের নির্দেশনা

অনুসারে জাতীয় শিক্ষাক্রম ও পাঠ্যপুস্তক বাের্ড কর্তৃক ২০২১ সালের এইচএসসি পরীক্ষার্থীদের জন্য পুনর্বিন্যাসকৃত

পাঠ্যসূচির আলােকে প্রণীত অ্যাসাইনমেন্টসমূহের মধ্যে ৩ য় সপ্তাহের জন্য (১৫ টি বিষয়ের) গুচ্ছ -২ এর জীববিজ্ঞান, উচ্চতর

গণিত, সমাজবিজ্ঞান, সমাজকর্ম, ভূগােল, ফিন্যান্স, ব্যাংকি ও বীমা, উৎপাদন ব্যবস্থাপনা ও বিপণন, আরবি,

গৃহব্যবস্থাপনা এবং পারিবারিক জীবন এবং গুচ্ছ -৩ এর রসায়ন, অর্থনীতি, পৌরনীতি ও সুশাসন, যুক্তিবিদ্যা,

হিসাববিজ্ঞান, খাদ্য ও পুষ্টি বিষয়ের অ্যাসাইনমেন্টসমূহ প্রেরণ করা হলাে; এ কার্যক্রম ১০-০৮-২০২১ খ্রি. থেকে শুরু হবে।

২০২১ সালের এইচএসসি পরীক্ষার্থীদের জন্য অ্যাসাইনমেন্টসমূহ প্রদান ও গ্রহণের ক্ষেত্রে কোভিড -১৯ এর সংক্রমণ রােধে

সরকার ঘােষিত স্বাস্থ্যবিধি সংক্রান্ত বিধিনিষেধ যথাযথ অনুসরণপূর্বক প্রয়ােজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য অনুরােধ করা হয়। 

অ্যাসাইমেন্ট ডাউনলোড লিংক ক্লিক করুন





রবিবার, ৮ আগস্ট, ২০২১

অ্যাসাইমেন্ট লেখার সঠিক কৌশল।Assignment Writing tips


 

সঠিক নিয়ম জেনে অ্যাসাইনমেন্ট লিখুন এবং ভুল এড়িয়ে চলুন।।

এ্যাসাইনসেন্ট দিকনির্দেশিকাঃ-

ঘরে বসে অ্যাসাইনমেন্ট লিখবো, অতছ নাম্বার কম পাবো তা কি হয়! নিয়ম জেনে অ্যাসাইনমেন্ট লিখে প্রত্যাশিত ফল অর্জন করবো এটাই তো স্বাভাবিক। আসুন অ্যাসাইনমেন্টের কৌশল সমূহ বিস্তারিত জেনে নিই

লেখার উপকরণ :  A4 সাইজের কাগজ, কলম, পেন্সিল, রঙ্গীন কালি ও অন্যান্য প্রয়োজনীয় উপকরণ যেমন- গ্রাফ পেপার, জ্যামিতি বক্স ইত্যাদি।

অ্যাসাইনমেন্ট লেখার নিয়মাবলি:
১.  A4 সাইজ কাগজ নির্বাচন করতে হবে
২. পেন্সিল বা সবুজ/ নীল কালার দ্বারা মার্জিন করা।
৩. প্রশ্নের ধারাবাহিকতা বজায় রাখা
৪. বানানের প্রতি সতর্ক হতে হবে এবং ওভার রাইটিং করা যাবে না।
৫. পয়েন্ট আকারে সাজিয়ে লিখতে হবে।
৬. লেখার ভাষা প্রাঞ্জল ও সহজবোধ্য হতে হবে। 
৭. প্রশ্নের উত্তর অযথা বড় বা ছোট না করা।
৮. লেখার মধ্যবর্তী স্পেস ঠিক রাখা।
৯. মূল পয়েন্ট আন্ডারলাইন বা হাইলাইট করা।
১০. প্রশ্ন উত্তরের সূচিপত্র লেখা যেতে পারে।
১১. লেখার শেষে তথ্যসূত্র যোগ করা উত্তম।
১২. লেখাশেষে পূঙ্খানুপুঙ্খ ভাবে রিভিশন দিতে হবে।
১৩. কোন অবস্থায় লাল কিংবা লালের কাছাকাছি    যেমন- গোলাপী বা খয়েরি রঙের কালি ব্যবহার করা যাবে না।
১৪. পেজের উভয় দিকে লেখা যাবেনা।
১৫.কোনো সোর্স থেকে উত্তর হুবহু কপি না করা।


কাভার পেইজ  পূরণ প্রসঙ্গে :
কাভার পেইজে সাধারণত তিনটা অংশ থাকে।

*প্রথম অংশ শিক্ষার্থীকে পূরণ করতে হবে। এ অংশে যে তথ্যগুলো ব্রেকেটে ইংরেজিতে লেখার জন্য নির্দেশ দেওয়া আছে সেগুলো অবশ্যই ইংরেজিতে লিখতে হবে। বাকিগুলো বাংলাতেও লেখা যেতে পারে।
♦শিরোনাম প্রশ্নে যেভাবে দেওয়া থাকবে সেভাবে লিখতে হবে।
♦সকল তথ্য নির্ভুলভাবে লিখতে হবে
তার নিজের নাম, রোল নং, রেজিষ্ট্রেশন নং, বিষয়, বিষয় কোড,  বিষয় শিক্ষকের নাম, শিরোনাম, অ্যাইনমেন্টের ক্রমিক নং সহ ও অন্যান্য তথ্য  সঠিকভাবে পূরণ করবে।

*দ্বিতীয় অংশ মূল্যায়নকারী শিক্ষক পূরণ করবে।

*তৃতীয় অংশ প্রতিষ্ঠান পূরণ করবে।

শিক্ষা সংক্রান্ত আপডেট নিউজ জানতে আমাদের  ব্লক সাইটি follow  করুন।

#assignment #assignmenthelp #assignmentwriting #assignmenttips
#অ্যাসাইনমেন্টলেখারট্রিপ,
#অ্যাসাইনমেন্টলেখা,
#অ্যাসাইনমেন্ট

শুক্রবার, ৬ আগস্ট, ২০২১

আলিম পরীক্ষা -২০২১' র ফরম পূরণ প্রক্রিয়া শুরু, ফিসহ

 

২০২১ সালের আলিম পরীক্ষার ফরম পূরন সংক্রান্ত বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করেছে মাদ্রাসা শিক্ষা বোর্ড। আলিমের ফরমপূরণের বিজ্ঞপ্তিটি ০৪ আগস্ট তারিখে প্রকাশ করা হয়।



পরবর্তীতে ৫ আগস্ট তারিখে সংশোধিত ফরম পূরণের বিজ্ঞপ্তি প্রকাশিত হয়। আগের বিজ্ঞপ্তিতে কিছু  অসঙ্গতি থাকার কারণে, নতুন সংশোধিত বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করা হয়। 

বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে, আলিম পরীক্ষা -২০২১'র ফরম পূরণ  শুরু হবে ১২ আগস্ট, চলবে ৩০ আগস্ট পর্যন্ত। তবে ১১ আগস্ট, বোর্ডের ওয়েবসাইটে সম্ভাব্য পরীক্ষার্থীর তালিকা প্রকাশ করা হবে।

দেশে করোনার সংক্রমণ বৃদ্ধিজনিত কারণে এবারের আলিম ফরম পূরণ  প্রক্রিয়া সম্পূর্ণরুপে পরিচালিত হবে আনলাইনের মাধ্যামে।

বিভাগ ভিত্তিক নিয়মিত পরীক্ষার্থীদের ফি এর হার –


বিজ্ঞান বিভাগের পরীক্ষার্থীদের বোর্ড ফি ও কেন্দ্র ফি সহ মোট প্রদান করতে হবে (৭৯০+৩৪০)= ১১৩০ টাকা।


সাধারণ বিভাগের পরীক্ষার্থীদের বোর্ড ফি, কেন্দ্র ফি সহ মোট (৭৭০+৩০০)= ১০৭০ টাকা পরিশোধ করতে হবে।


মুজাব্বিদ মাহির বিভাগের পরীক্ষার্থীদের  বোর্ড ও কেন্দ্র ফি বাবদ (৭৭০+৩০০)= ১০৭০ টাকা প্রদান করতে হবে।


উপরের বর্ণিত পরীক্ষার ফরম পূরণের হার কেবলমাত্র নিয়মিত শিক্ষার্থীদের জন্য প্রযোজ্য।


অনিয়মিত, প্রাইভেট, জিপিএ উন্নয়ন, আংশিক বিষয়ে অকৃতকার্য পরীক্ষার্থীদের ফি এর হার, বিজ্ঞপ্তির ১২ নম্বর অনুচ্ছেদ থেকে দেখুন। এখানে সকল প্রকার পরীক্ষার্থীর খাতওয়ারি ফি এর হার নির্ধারণ করা হয়।

শিক্ষাসংক্রান্ত  আপডেট নিউজ জানতে শিক্ষক, শিক্ষার্থী, অভিবাবক সহ সকলে আমাদের Study For Today Page টি লাইক দিয়ে রাখুন। 

 Fb page link:https://www.facebook.com/Study-For-Today-106665831714949/


শিক্ষা প্রতিষ্ঠানসমূহকে ব্যাংক হিসার খোলার জরুরী নির্দেশনা



মাধ্যামিক ও উচ্চ মাধ্যমিক পর্যায়ের সব শিক্ষা প্রতিষ্ঠান  ইংরেজি নামে সোনালী ব্যাংকে অ্যাকাউন্ট করার এক জুরুরি  নির্দেশ দিয়েছে ঢাকা শিক্ষা বোর্ড।  আগামী ১০ আগস্টের মধ্যে শিক্ষা বোর্ডের ওয়েবসাইটে ব্যাংক হিসাব সংক্রান্ত  তথ্য দিতে  শিক্ষা প্রতিষ্ঠান সমূহকে বলা হয়েছে।  নির্দেশাটি গত ২৪ জুলাই শনিবার ওয়েবসাইটে প্রকাশ করা হয়।

  • শিক্ষা বোর্ডের এক জরুরি  আদেশে বলা হয়, বোর্ডের আর্থিক লেনদেন  যাতে সোনালী ব্যাংকের মাধ্যমে করা হয়। বোর্ডের বিভিন্ন ধরনের ফি সংগ্রহ বা প্রয়োজনে প্রতিষ্ঠানকে কোনও অর্থ প্রদান বা যেকোনও ধরনের লেনদেন সহজে সুষ্ঠুভাবে পরিচালনার জন্য প্রতিটি প্রতিষ্ঠানের নামে সোনালী ব্যাংকে অ্যাকাউন্ট থাকা একান্ত জরুরি। এক্ষেত্রে সেসব প্রতিষ্ঠানের আগেই হুবহু প্রতিষ্ঠানের ইংরেজি নামে সোনালী ব্যাংকে অ্যাকাউন্ট আছে সেসব প্রতিষ্ঠানের নতুন করে অ্যাকাউন্ট করার প্রয়োজন নেই। তবে অ্যাকাউন্টের নাম অবশ্যই ইংরেজিতে হতে হবে। বোর্ডের ওয়েবসাইটে কলেজের নাম যেভাবে ইংরেজিতে আছে হুবহু সেভাবেই অ্যাকাউন্টের নাম নির্ধারণ করতে হবে অন্যথায় অ্যাকাউন্ট নম্বর গ্রহণযোগ্য হবে না।  উল্লেখ্য আগে থেকে অ্যাকাউন্ট করা থাকলে হুবহু কলেজের নামে ব্যাংকের মাধ্যমে তা সংশোধন করা যাবে।
  • তাছাড়া বিভিন্ন মোবাইল ফিন্যান্সিয়াল সার্ভিসের (এমএফএস) মাধ্যমে লেনদেন করার জন্য বোর্ড থেকে প্রদত্ত ইআইআইএন ভিত্তিক সিমে নগদ, বিকাশ, রকেট, ইউপে, শিওর ক্যাশ ইত্যাদি অপারেটরের মাধ্যমে স্বয়ংক্রিয়ভাবে মার্চেন্ট অ্যাকাউন্ট খুলতে হবে।
  • যেসব প্রতিষ্ঠানের আগে থেকেই ইংরেজি নামে অ্যাকাউন্ট খোলা আছে সেসব প্রতিষ্ঠানসহ সব প্রতিষ্ঠানকে আগামী ১০ আগস্টের মধ্যে বোর্ডের ওয়েবসাইটে অ্যাকাউন্ট নম্বরসহ অন্যান্য তথ্য দিতে বলা হয়েছে।

#UpdateNews #educationnews #updateinfo #educationalpost

বুধবার, ৪ আগস্ট, ২০২১

মাদ্রাসা আপডেট নিউজ। এবারের দাখিল ও আলিম চূড়ান্ত পরীক্ষাও অনুষ্ঠিত হবে MCQ পদ্ধতিতে

 

সাম্প্রতিক  সময়ে  দাখিল ও আলিম পরীক্ষার কিভাবে এবং কেন কোন বিষয়ে অনুষ্ঠিত হবে তা গত ৩ আগস্ট রাতে মাদরাসা শিক্ষা বোর্ড থেকে জারি করা এক জরুরি বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়।

২০২১ সালের সাধারণ বিভাগের দাখিল মম। পরীক্ষা হবে যেসব বিষয়ে তা হলো কুরআন মাজিদ ও তাজবিদ, হাদিস শরিফ, ইসলামের ইতিহাস । আর বিজ্ঞান বিভাগের শিক্ষার্থীদের পরীক্ষা হবে হাদিস শরিফ, পদার্থ বিজ্ঞান ও রসায়ন বিষয়ে।

মুজাব্বিদ বিভাগের পরীক্ষার্থীদের যেসব বিষয় থাকছে তা হলো  কুরআন মাজিদ ও তাজবিদ, হাদিস শরিফ, তাজবিদ নসর ও নজম। আর অপরপক্ষে  হিফজুল কুরআন বিভাগের পরীক্ষার্থীদের কুরআন মাজিদ ও তাজবিদ, হাদিস শরিফ ও তাজবিদ বিষয়ের পরীক্ষা দিতে হবে।

২০২১ সালের আলিম সাধারণ বিভাগের শিক্ষার্থীদের কুরআন মাজিদ, হাদিস ও উসুলুল হাদিস, আল ফিকাহ প্রথম ও দ্বিতীয়পত্র, ইসলামের ইতিহাস, বালাগাত ও মানতিক বিষয়ের পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হবে।

বিজ্ঞান বিভাগের আলিম পরীক্ষার্থীদের কুরআন মাজিদ, হাদিস ও উসুলুল হাদিস, পদার্থবিজ্ঞান প্রথম ও দ্বিতীয়পত্র, রসায়ন প্রথম ও দ্বিতীয়পত্র পরীক্ষা  হবে।

আর মুজাব্বিদ মাহির বিভাগের শিক্ষার্থীদের কুরআন মাজিদ, হাদিস ও উসুলুল হাদিস, আল ফিকাহ প্রথমপত্র, আরবি সাহিত্য, তাজবিদ প্রথম ও দ্বিতীয়পত্রের পরীক্ষা হবে।


 ২০২১ সালের দাখিল ও আলিম পরীক্ষার্থীদের রেজিস্ট্রেশন কার্ডে চতুর্থ বিষয় পরিবর্তনের কোন প্রকার  সুযোগ থাকছে না বলেও বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে।

  #alimexam2021 #Dhakil #Alim #dhakilexam

মঙ্গলবার, ৩ আগস্ট, ২০২১

মাত্র পাওয়া খবর। চট্টগ্রাম বোর্ডের এইসএসসি পরীক্ষা ২০২১ ফরম পূরণ কার্যক্রম শুরু



অদ্য 3 August, 2021 চট্টগ্রামে বোর্ডের ওয়েবসাইটে  Hsc পরীক্ষা 2021 সালের ফরম পূরম সংক্রমণ এক জরুরি বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করা হয়েছে। 

বিস্তারিত  জানতে নিচের লিংকে 

ভিজিট করুন ঃ

 www.bise.ctg-gov.bd

সোমবার, ২ আগস্ট, ২০২১

এসএসসি ও এইচএসসি পরীক্ষা ২০২১ অটো পাস নয়, হবে ভিন্ন পদ্ধতিতে মূল্যায়ন

 

দেশে করোনাভাইরাস বৃদ্ধিজনিত কারনে  আটকে যাওয়া ২০২১ সালের মাধ্যমিক বা এসএসসি এবং উচ্চ মাধ্যমিক বা এইচএসসি পরীক্ষার নতুন সময়সূচি ঘোষণা করেছেন শিক্ষামন্ত্রী দীপু মনি।


তিনি বলেছেন, করোনাভাইরাস পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে এলে চলতি বছরের নভেম্বরের দ্বিতীয় সপ্তাহে এসএসসি এবং ডিসেম্বরের প্রথম সপ্তাহে এইচএসসি পরীক্ষা নেয়া হবে।


পরীক্ষা হবে গ্রুপভিত্তিক শুধুমাত্র তিনটি নৈর্বাচনিক বিষয়ে।


অর্থাৎ বিজ্ঞান, ব্যবসায় শিক্ষা ও মানবিক তিনটি গ্রুপের শিক্ষার্থীরা যার যার গ্রুপের বিশেষায়িত তিনটি করে সাবজেক্টের ওপর সীমিত পরিসরে, সংক্ষিপ্ত সিলেবাসে, স্বাস্থ্যবিধি মেনে, পরীক্ষা দেবেন। পরীক্ষার সময় ও নম্বরও কমিয়ে আনা হবে।


তাছাড়া বাংলা, ইংরেজি, গণিত, আইসিটি, ধর্মের মতো আবশ্যিক বিষয় বা চতুর্থ বিষয়ের ওপর পরীক্ষা হবে না বলে শিক্ষামন্ত্রী জানিয়েছেন।



বৃহস্পতিবার এক ভার্চুয়াল সংবাদ সম্মেলনে এসএসসি এবং এইচএসসি পরীক্ষার নতুন সময়সূচি ও মূল্যায়ণের সম্পর্কে  বিস্তারিত তথ্য দেন ড. দীপু মনি।


নিরাপদে স্কুল খুলতে যেসব নির্দেশনার প্রস্তাব করা হয়েছে।কোভিড পরিস্থিতি যদি অনুকূলে না এলে, গত বছরের মতো এবারও বিকল্প পদ্ধতিতে শিক্ষার্থীদের মূল্যায়ণ করা হবে বলে তিনি জানান।তবে তা সরাসরি অটো পাস নয়।


শিক্ষামন্ত্রী বলেন, এমন পরিস্থিতিতে এসএসসি ও এইচএসসি এবং সমমানের পরীক্ষার্থীদের ফল প্রকাশ করা হবে তিনটি নৈর্বাচনিক বিষয়ে অ্যাসাইনমেন্ট এবং পূর্ববর্তী পরীক্ষাগুলোর বিষয়ভিত্তিক মূল্যায়নের মাধ্যমে।


এসএসসি-র ক্ষেত্রে ২৪টি অ্যাসাইনমেন্ট এবং এইচএসসি-র ক্ষেত্রে ৩০টি অ্যাসাইনমেন্ট জমা দিতে হবে। এসব অ্যাসাইনমেন্টের মাধ্যমে সংক্ষিপ্ত সিলেবাসের পুরোটা কভার করা 


Education news

৬ষ্ঠ থেকে ৯ম বার্ষিক পরীক্ষা ও ১০ম শ্রেণির নির্বাচনী পরীক্ষা হবে ৩ বিষয়ে, পরীক্ষা শুরু ২৪ নভেম্বর থেকে

৬ষ্ঠ থেকে ৯ম বার্ষিক পরীক্ষা ও ১০ম শ্রেণির  নির্বাচনী পরীক্ষা  হবে ৩ বিষয়ে, পরীক্ষা শুরু ২৪ নভেম্বর থেকে ৬ষ্ঠ থেকে ৯ম বার্ষিক পরীক্ষা ও ১০ম...